খুলনা বিআরটিসি বাস ডিপো আওয়ামীলীগ নেতা ড্রাইভার কবিরের নিয়ন্ত্রনে।

46
খুলনা থেকে বিপ্লব মজুমদার।
বিআরটিসি খুলনা বাস ডিপোর চালক ও বিআরটিসি শ্রমিক কর্মচারিলীগ (সিবিএ) সাধারন সম্পাদক কবির হোসেন এর অ-ঘোষিত নিয়ন্ত্রনে চলছে খুলনার এই ডিপোটি । এছাড়া কবির হোসেনের সিদ্ধান্ত নিয়েই ডিপোর অন্যান্য চালকদের চলতে হয় বলে এমন মন্তব্য করেন খুলনা বাস ডিপোতে কর্মরত এক চালক। ’তথ্যমতে, বিভিন্ন অপরাধের কারণে কবির হোসেনকে সিলেট বদলি করেন কর্তৃপক্ষ। সেখান থেকে যশোর জেলায় বদলি হয়ে আসেন কবির। পরে ঢাকার জোয়ারসাহারা বাস ডিপো থেকে লবিং করে বদলি হয়ে ড্রাইভার কবির চলে আসেন খুলনা বাস ডিপোতে।

অনুসন্ধানে জানা যায়, কবির হোসেন আওয়ামীলীগ সরকারের সময় বিভিন্ন অপকর্ম করে আসছিলেন। তার অপকর্মে অতিষ্ট থাকতেন ডিপো ইনচার্জ বা ম্যানেজার সহ সকল কর্মকর্তা-কর্মচারিরা। কবির হোসেন ডিপো অভ্যান্তরে সিন্ডিকেট করে আসছিলেন। তবে জুলাই আন্দোলনের পর কবিরের দীর্ঘ দিনের সিন্ডিকেট ভেঙ্গে যায়। তারপরেও সাম্প্রতিক গত অক্টোবার মাস থেকে কবির হোসেন খুলনা বাস ডিপোর অভ্যান্তরে একটি নতুন সিন্ডিকেট তৈরি করেছেন। তার এই অনিয়মের কারণে অনেকেই জর্জারিত।  তথ্যমতে, খুলনা বিআরটিসি বাস ডিপোর শ্রমিক কর্মচারিলীগের (সিবিএ) সাধারন সম্পাদক পদে কবির হোসেন নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে ধরাকে সড়া জ্ঞান মনে করেন না। বর্তমান কবির হোসেন খুলনা বাস ডিপোর অভ্যান্তরে আওয়ামীলীগের দলীয় কার্যক্রম চলমান রেখেছে বলে নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়। সূত্রটি আরও জানায়,  খুলনা ও আশেপাশের আওয়ামীলীগের বিভিন্ন সময়ের ঝটিকা মিছিলে অংশ গ্রহণ করছেন কবির হোসেন।
খুলনা বাস ডিপোতে কর্মরত সাবেক কর্মচারি ইলিয়াস এ  প্রতিবেদককে জানান, আমি যখন খুলনা বাস ডিপোতে কর্মরত ছিলাম তখন কবিরের নির্যাতনে দিশাহারা হয়ে পড়েছিলাম। ইলিয়াস আরও বলেন, আমি অসুস্থ মানুষ। তারপরেও কবিরের কারণে আমার বদলি হতে হয়।
চালক কবির হোসেনকে মুঠোফোনে কল দিলে তিনি জানান, আমার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগগুলো সত্য নয়। আমি এক সময় আওয়ামীলীগ করতাম , এখন করি না।
খুলনা বাস ডিপোর ম্যানেজার মোশারফ হোসেনের সাথে এ বিষয় মুঠোফোনে কথা বলার চেস্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভড করেন নি।